সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

যারা অনলাইনে আয় করতে চান

বিনি সুতার জালে এই ব্রহ্মাণ্ডের সকল তথ্য আজ হাতের কাছে । আলিফ লায়লার সেই যাদুর আয়না বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মিলে পৃথিবীর অর্ধেক লোকের কাছে পৌছে গেছে ।  আর বর্তমান পৃথিবীর শীর্ষ ধনী ব্যাক্তিরা সকলেই তথ্য প্রযুক্তির পৃষ্ঠপোষক । তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে আজ সব সীমানা পেরিয়ে মানুষ জানতে পারে তার প্রয়োজনীয় তথ্য । অনেকেই অনলাইনে তথ্য দেন কেউবা তথ্য নেন, আর এই দেওয়া নেওয়ার মাঝে অনেকে লাভবান হন । কেউ আর্থিক লাভবান হয়  কেউবা নিজেকে সমৃদ্ধি করতে পারে তথ্য প্রযুক্তি দিয়ে ।  অনলাইনে বিভিন্ন ভাবে আয় করা যায় । অনলাইনে যেমন একটা শব্দ লিখে সার্চ দিলে হাজারো তথ্যের লিংক পাওয়া যায় ঠিক তেমনি অনলাইনে হাজারো ভাবে আয় করা যায় ।  তারমধ্যে একটা সহজ পথ হচ্ছে বিভিন্ন সাইটের বিভিন্ন প্রোডাক্টে রিভিউ করে প্রতিটা রিভিউ থেকে ১০ ডলার করে আয় করা যায় । কাজ টা আসলে সহজ কিন্তু একেবারে খুব সহজ ভাবলে ভুল হবে । তবে এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই সৃজনশীল হতে হবে । আর থাকবে হবে ইংরেজীতে যোগাযোগ করার যোগ্যাতা ।  কিভাবে করবেন  এ রকম হাজারো কাজের সন্ধান ও কাজ করার পদ্ধতি নিয়ে আপনাদের সামনে কৈমারী আইটি স্কুল ক...

বুদ্ধিমত্তা কি?

আমেরিকার হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী হাওয়ার্ড গার্ডনার প্রদত্ত মানুষের বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক গবেষণায় দেখা যায় যে, মানুষের কমপক্ষে আট ধরণের বুদ্ধিমত্তা রয়েছে। এ বুদ্ধিমত্তার মাত্রাও সকলের সমান নয়। প্রত্যেকেই একাধিক বুদ্ধিমত্তা প্রবল। সাধারণত কেউ কোনটাতে প্রবল আবার অন্যটিতে দুর্বল। আচরণ ও কার্যকলাপের মাধ্যমে সহজেই পর্যবেক্ষণ করা যায়। তবে ভিন্ন ভিন্ন বুদ্ধিমত্তার লক্ষণগুলোও ভিন্ন ভিন্ন। বুদ্ধিমত্তা ৮ প্রকার যথাঃ মৌখিক ও ভাষাবৃত্তীয় বুদ্ধিমত্তা: যারা এ বুদ্ধিমত্তায় প্রবল তারা জটিল বিষয়ও সহজভাবে কথায় লিখে প্রকাশ করতে পারে। তাদের ভাষা থাকে প্রঞ্জল ও সাবলীল। তারা বই পড়া, কবিতা বা গল্প লেকা, আলোচনায় অংশগ্রহণ করা, কৌতুক বলা, সাহিত্য সৃষ্টি করা ইত্যাদি বেশি পছন্দ করে। তারা নতুন শব্দ লিখতে ভালবাসে। যৌক্তিক ও গাণিতিক বুদ্ধিমত্তা: যারা এ বুদ্ধিমত্তায় প্রবল তারা সমস্যা সহজে বুঝতে পারে এবং যুক্তি প্রয়োগ করে তা সমাধান করতে চায়। তারা সংখ্যা ও গাণিতিক সংজ্ঞা ও ফর্মুলা সহজে আয়ত্ব করে। এরা যুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এবং বিশ্লেষণগত কাজ নিয়ে বেশি চিন্তা করে। ...

ফ্রিল্যান্সিং এ ক্যারিয়ার

যারা খুব উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে আউটসোর্সিং/ফ্রিল্যান্সিং এ পথ খুঁজছেন,তাদের জন্য এই আর্টিকেল । কাজ খোজার আগে নিজেকে কাজের জন্য প্রস্তুত করুন, প্রথমেই যে জিনিসটি আপনাকে মনে রাখতে হবে সেটা হচ্ছে আপনি বড় ধরণের একটা প্রতিযোগিতায় নামতে যাচ্ছেন যেখানে আপনার প্রতিযোগী হবে সারা বিশ্ব থেকে আরও অনেক মানুষ। ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এ অনেক ধরনের কাজ পাওয়া যায় তবে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সংক্রান্ত কাজ এখানে সবচেয়ে বেশি। প্রথমে আপনাকে ঠিক করে নিতে হবে আপনি কোন কাজটি করবেন এরপর সেটা ভালভাবে শিখে নিন এবং সবশেষে আউটসোর্সিং এ আসুন। গ্রাফিক্স ডিজাইন ডিজাইনের কাজের বেশ চাহিদা আছে অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলিতে। এজন্য আপনাকে শিখতে হবে মুলত ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটর এর কাজ। ফটোশপ দিয়ে লোগো, বাটন, ব্যানার ইত্যাদি তৈরী করতে পারতে হবে। ফটোশপ দিয়ে পিএসডি (PSD) লেআউট ডিজাইনের কাজের প্রচুর চাহিদা।  অনলাইনে প্রচুর টিউটোরিয়াল পাবেন ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটরের। এদুটি জিনিসে সিদ্ধহস্ত হতে হবে।  গ্রাফিক্সের কাজ করতে সৃজনশীলতা (creativity) বড় একটি দক্ষতা। আপনার সৃজনশীলতা যত গভীর হবে আপনি তত নতুন নতুন আই...

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন এখন আর অস্পস্ট, প্রতারনামুলক বা অবিশ্বাস্য কোন ব্যাপার নয়। এটি এখন একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য ও বিশ্বাস যোগ্য প্রক্রিয়া। এটির সুচনা ঘটেছিল গুগল এ্যাডসেন্স এর ধারনা দ্বারা । কিন্তু অচিরেই প্রমানিত হয় যে এটি আসলে সুনিশ্চিত এবং সহজ কোন প্রক্রিয়া নয়। যার সফলতা একশ ভাগ সুনিশ্চিত। মুলত ইন্টারনেট থেকে অর্থ উপার্জন যে করা সম্ভব সেই ধারনা বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ ছিল এটি। অচিরেই দেখা যায় ইন্টারনেটে গুগল এ্যাডসেন্স ছাড়াও সত্যিকার নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করা সম্ভব যা কারো একমাত্র পেশা হিসেবেও গন্য হতে পারে। ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন সম্ভব কি সম্ভব নয় এটি নিয়ে বিভ্রাতি যাদের আছে? আর তাই সর্বসাধারনের কাছে এই বিভ্রাতি দূর করার জন্য এই পোষ্ট টিতে চিত্রটি আপনাদের জন্য শেয়ার করা হয়েছে। চিত্র দুটির মাধ্যমে ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন ব্যাপারটির মূল ভিত্তি কি এবং কেন এটি সত্যিকার একটি পেশা হিসেবে যে কারও জন্য গ্রহনযোগ্য হতে পারে।

প্রোগ্রামার হবার ১০ স্টেপ

              প্রোগ্রামার হবার ১০ স্টেপ                                স্টেপ-১:: পাঁচটা বেসিক জিনিস সম্পর্কে ক্লিয়ার ধারণা থাকতে হবে- variable, if-else, array, for loop এবং function। আরো বেশি শিখার জন্য একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ঠিক করতে হবে। পাইথন, জাভা, C++, জাভাস্ক্রিপ্ট, C# বা অন্য যে কোন একটা। স্টেপ-২: প্রোগ্রাম চলার সময় বিভিন্ন তথ্য বা ডাটা কিভাবে রাখতে হবে সেটা বুঝার জন্য কয়েকটা ডাটা স্ট্রাকচার (data structure) শিখতে হবে। তার মধ্যে হ্যাশ টেবিল (hash table) বা ডিকশনারি মাস্ট শিখতে হবে। তারপরে Stack এবং Queue সম্পর্কে কিছু আইডিয়া নিতে হবে। বেশি তেল থাকলে linked list, Tree নিয়ে গুতাগুতি করতে পারেন। স্টেপ-৩::: একটা array এর মধ্যে নির্দিষ্ট কোন একটা উপাদান খুঁজে বের করা পদ্ধতিতে বলা হয় search। মিনিমাম linear search এবং binary search এর কোড নিজ হাতে লিখে প্রাকটিস করতে হবে। একটা array এর উপাদানগুলিকে ছোট থেকে বড় বা বড় থেকে ছো...

প্রোগ্রামিং ভাষা

                                      প্রোগ্রামিং ভাষা একজন মানুষ তার কার্য সম্পাদন ও মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য ভাষা ব্যবহার করে। যে মানুষ যে ভাষা জানে তার সাথে সেই ভাষায় কথা বলতে হয় । কিন্তু বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের কম্পিউটার একটি মাত্র ভাষা বোঝে ,  আর তা হচ্ছে মেশিন ভাষা। মেশিন ভাষা কি ? ০ এবং ১ এ দুটি অংকের সমন্বয়ে মেশিন ভাষার উদ্ভব। সহজ কথায় ০ এবং ১ কে ব্যবহার করে নির্দেশ সাজিয়ে প্রোগ্রাম লেখার পদ্ধতিকে মেশিন ভাষার প্রোগ্রাম বলে। মেশিন ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামের অপর নাম অবজেক্ট প্রোগ্রাম। মানুষের জন্য মেশিন ভাষা কঠিন তাই মানুষের ভাষার কাছাকাছি ভাষা  ( যেমন সি , সি ++)  যা অনুবাদক প্রোগ্রামের মাধ্যমে তা মেশিন ভাষায় রুপান্তর করা যায়। কম্পিউটার বা যেকোনো ডিভাইস দিয়ে আপনার নিজের কিংবা সারা বিশ্বের মানুষের জন্য কোন কাজ সম্পাদন করতে চাইলে প্রোগ্রামিং ভাষা জানতে হবে। প্রোগ্রামিং ভাষা কি ? কম্পিউটারের মাধ্যমে কোন প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ , বর্ণ , অঙ্ক , ...

সহজেই কোডিং ছাড়া অ্যাপস তৈরী

সারা বিশ্বের প্রতিটি মানুষের যোগাযোগ সহজ থেকে সহজতর করে দিচ্ছে স্মার্টফোন । স্মার্টফোন কি ? পারসোনাল ডিজিটাল অ্যসিস্টেন্ট ( পি ডি এ ) আর মোবাইল ফোনের সম্মিলিত রূপই হচ্ছে  স্মার্টফোন । সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে হাজারও রকমের স্মার্টফোন । একদিকে মানুষের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে ঘনিষ্ট হয়ে যাচ্ছে , অন্যদিকে প্রতিনিয়ত এর ব্যাবহারকারী দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে । ব্যাবসা, বাণিজ্য, লেনদেন, লেখাপড়া ছাড়াও বহু কাজে ব্যবহার করা যায় স্মার্টফোন । আর স্মার্টফোনের প্রাণ হচ্ছে অ্যাপস ।   অ্যাপস কি ? অ্যাপস বা অ্যাপ্লিকেশন হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটঅয়্যার , যা শুধু স্মার্টফোন ডিভাইসে ব্যবহার করা যায় । যা গেম, ক্যালেন্ডার, মিউজিক প্লেয়ার থেকে শুরু করে ব্যবহারকারীর প্রয়োজনে যে কোনো ধরনের হতে পারে । বর্তমানে বিশ্বে কোম্পানিগুলোর প্রচুর অ্যাপস রয়েছে যা প্রতিনিয়ত ব্যবহৃত হচ্ছে । ক্রমানয়ে নতুন নতুন চাহিদা বা ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে । আর স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর উপযোগী করার জন্য যে কোনো  ধরনের অ্যাপস তৈরি করাই মুলত মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভলপমেন্ট ।   ...