সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

কল্যাণী

সে অনেক দিন আগের কথা। কল্যাণী দেশে কল্যাণ নামক এক রাজা ছিলেন। তিনি সারাক্ষণ নৃত্য-গীত, আর সোনালী তরলে নিমজ্জিত থাকতেন। বই ছিলো তার চোখের বিষ। তার মতে, বই পড়ে খামোখা সময় নষ্ট করার চেয়ে অশ্বচালনা অথবা তরবারির লড়াই শেখাটা হাজার গুণ শ্রেয়। একদিন সন্ধ্যায় পানাসক্ত অবস্থায় উর্বশী নৃত্য দেখে সময় কাটানোর পরে সভায় ফিরে সভাসদদের জরুরী তলব করে এক কঠিন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিলেন সবাই কে। আজ থেকে রাজ্যে বই পড়া বন্ধ। কাউকে বই পড়া অবস্থায় ধরতে পারলে তার গলা কাটা হবে। বই পড়ে কীভাবে সময় এবং অর্থ নষ্ট হচ্ছে তার একটা বিবরণও দিয়ে ফেললেন। তোষামুদে সভাসদরা শুনে বাহবা বাহবা করতে লাগলো। কিন্তু বুদ্ধিমান উজির সাহেব বুঝতে পারলেন এ সিদ্ধান্তের ফলে দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হবে। তবে এখনই এমন কিছু করতে গেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। অপেক্ষা করতে লাগলেন মোক্ষম সময়ের। পরদিন সকাল বেলা রাজার প্রাতঃভ্রমণের সময়টাই হতে পারে যথার্থ। এবং তার পরিকল্পনা ঠিক ভাবেই কাজে লাগলো। সক্কাল সক্কাল পেয়ে গেলেন রাজা মশাইকে। -সুপ্রভাত মহামান্য! -সুপ্রভাত উজির! আছো কেমন তুমি? -জ্বী, আমি খুব ভালো আছি। আপনার পোষা টিয়া পাখি ট...

আর্টিকেল লিখে আয় করুন ৩৫ হাজার টাকা

আপনার যদি ইংরেজীতে ভাল লেখার যোগ্যতা থাকে আর আপনি যদি কোন বিষয়ে দক্ষ বা অভিজ্ঞ হন, তাহলে অনায়াসে ঘরে বসে আর্টিকেল লিখে আয় করতে পারেন। কিভাবে? পড়ুন- সাইটের নাম – হোয়াট কালচার : সন্মানি – ২৫ থেকে ৫০০ ডলার ইংল্যান্ডে বসে দুই বন্ধু মিলে প্রথমে “সিনেমায় স্থুলতা” বিষয় নিয়ে ব্লগিং শুরু করে। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তাদের সাইটের জনপ্রিয়তা, সেই সাথে বাড়তে থাকে ব্লগের বিষয়ও, আর গুগল অ্যাডসেন্স থেকে পকেটে ঢুকতে থাকে কাড়ি কাড়ি টাকা। পরবর্তীতে তারা ব্লগটাকে একটা ম্যাগাজিনে রূপ দেন। ৫২৯০ অ্যালেক্সা র‌্যাংক নিয়ে সাইটি এখন বিশ্বব্যাপী অন্যতম জনপ্রিয় সাইট হিসেবে অবস্থান করছে। এখন আর তারা নিজেরা তেমন একটা লিখেন না, অন্যদের থেকে লেখা সংগ্রহ করেন। আর বিনিময় হিসেবে মোটা অংকের সন্মানি প্রদান করেন। তবে এই সন্মানি আপনি লেখার পর পরই পাবেন না। আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে এক মাস পর্যন্ত। এক মাস পর দেখা হবে আপনার লেখাটির পেইজ ভিউ কত? যদি পেজ ভিউ ১০০০ হাজার হয়, তাহলে আপনি পাবেন ৫০ পাউন্ড বা প্রায় ৫ হাজার টাকা। ২০০০ হাজার পেজ ভিউ হলে  ১০ হাজার টাকা। এভাবে  পেজ ভিউ যত বাড়তে থাকবে, আপনার সন্মা...

তথ্য প্রযুক্তির আলোয় আলোকিত হউক কৈমারী

প্রযুক্তি জীবনকে করছে সহজ। দুরকে করেছে নিকট। হাজারো আলোকবর্ষের দুরের গ্রহ নক্ষত্রের খবরও একটা মাউসের ক্লিকে জানা যায় মুহুর্তেই । বিনি সুতার জাল বেয়ে পৃথিবী আজ একটি বিশ্বগ্রামে পরিনত হয়েছে। তথ্য প্রযুক্তির এই বিশাল ভান্ডারে আপনার একটি কর্মসংস্থান অনলাইনে হলে কেমন হতো ? ইন্টারনেটের মাধ্যমে কিভাবে ও কোন কোন উপায়ে আয় করা যায় বাংলাদেশে এই ব্যাপারটি সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিগত কয়েক বছর ধরেই এদেশের হাজার হাজার মানুষ ইন্টারনেটে নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে নিজেকে ও দেশকে স্বনির্ভরতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু অনলাইনের কাজের ধরণ ও চাহিদা প্রতিনিয়ত পরিবর্তণশীল। অনলাইনে আয়ের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ হচ্ছে  দক্ষতা। আর অনলাইন কাজের ব্যাপ্তি যেভাবে বিস্তৃত হয়ে উঠছে তাতে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে তৈরী করে নিতে না পারলে ভিড়ে হারিয়ে যাওয়ার সম্ভবনাটাই বেশি। তাই সময়োপযোগী কাজের দক্ষতা অর্জন ও নিজেকে তৈরী করে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।সভ্যতার ক্রমবিকাশের সাথে সাথে আগামীর কোয়ান্টাম কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের যুগে নতুন নতুন ভার্চুয়াল বিষয়গুলো মানুষের জীবনের সাথে ...

যারা অনলাইনে আয় করতে চান

বিনি সুতার জালে এই ব্রহ্মাণ্ডের সকল তথ্য আজ হাতের কাছে । আলিফ লায়লার সেই যাদুর আয়না বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মিলে পৃথিবীর অর্ধেক লোকের কাছে পৌছে গেছে ।  আর বর্তমান পৃথিবীর শীর্ষ ধনী ব্যাক্তিরা সকলেই তথ্য প্রযুক্তির পৃষ্ঠপোষক । তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে আজ সব সীমানা পেরিয়ে মানুষ জানতে পারে তার প্রয়োজনীয় তথ্য । অনেকেই অনলাইনে তথ্য দেন কেউবা তথ্য নেন, আর এই দেওয়া নেওয়ার মাঝে অনেকে লাভবান হন । কেউ আর্থিক লাভবান হয়  কেউবা নিজেকে সমৃদ্ধি করতে পারে তথ্য প্রযুক্তি দিয়ে ।  অনলাইনে বিভিন্ন ভাবে আয় করা যায় । অনলাইনে যেমন একটা শব্দ লিখে সার্চ দিলে হাজারো তথ্যের লিংক পাওয়া যায় ঠিক তেমনি অনলাইনে হাজারো ভাবে আয় করা যায় ।  তারমধ্যে একটা সহজ পথ হচ্ছে বিভিন্ন সাইটের বিভিন্ন প্রোডাক্টে রিভিউ করে প্রতিটা রিভিউ থেকে ১০ ডলার করে আয় করা যায় । কাজ টা আসলে সহজ কিন্তু একেবারে খুব সহজ ভাবলে ভুল হবে । তবে এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই সৃজনশীল হতে হবে । আর থাকবে হবে ইংরেজীতে যোগাযোগ করার যোগ্যাতা ।  কিভাবে করবেন  এ রকম হাজারো কাজের সন্ধান ও কাজ করার পদ্ধতি নিয়ে আপনাদের সামনে কৈমারী আইটি স্কুল ক...

বুদ্ধিমত্তা কি?

আমেরিকার হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী হাওয়ার্ড গার্ডনার প্রদত্ত মানুষের বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক গবেষণায় দেখা যায় যে, মানুষের কমপক্ষে আট ধরণের বুদ্ধিমত্তা রয়েছে। এ বুদ্ধিমত্তার মাত্রাও সকলের সমান নয়। প্রত্যেকেই একাধিক বুদ্ধিমত্তা প্রবল। সাধারণত কেউ কোনটাতে প্রবল আবার অন্যটিতে দুর্বল। আচরণ ও কার্যকলাপের মাধ্যমে সহজেই পর্যবেক্ষণ করা যায়। তবে ভিন্ন ভিন্ন বুদ্ধিমত্তার লক্ষণগুলোও ভিন্ন ভিন্ন। বুদ্ধিমত্তা ৮ প্রকার যথাঃ মৌখিক ও ভাষাবৃত্তীয় বুদ্ধিমত্তা: যারা এ বুদ্ধিমত্তায় প্রবল তারা জটিল বিষয়ও সহজভাবে কথায় লিখে প্রকাশ করতে পারে। তাদের ভাষা থাকে প্রঞ্জল ও সাবলীল। তারা বই পড়া, কবিতা বা গল্প লেকা, আলোচনায় অংশগ্রহণ করা, কৌতুক বলা, সাহিত্য সৃষ্টি করা ইত্যাদি বেশি পছন্দ করে। তারা নতুন শব্দ লিখতে ভালবাসে। যৌক্তিক ও গাণিতিক বুদ্ধিমত্তা: যারা এ বুদ্ধিমত্তায় প্রবল তারা সমস্যা সহজে বুঝতে পারে এবং যুক্তি প্রয়োগ করে তা সমাধান করতে চায়। তারা সংখ্যা ও গাণিতিক সংজ্ঞা ও ফর্মুলা সহজে আয়ত্ব করে। এরা যুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এবং বিশ্লেষণগত কাজ নিয়ে বেশি চিন্তা করে। ...

ফ্রিল্যান্সিং এ ক্যারিয়ার

যারা খুব উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে আউটসোর্সিং/ফ্রিল্যান্সিং এ পথ খুঁজছেন,তাদের জন্য এই আর্টিকেল । কাজ খোজার আগে নিজেকে কাজের জন্য প্রস্তুত করুন, প্রথমেই যে জিনিসটি আপনাকে মনে রাখতে হবে সেটা হচ্ছে আপনি বড় ধরণের একটা প্রতিযোগিতায় নামতে যাচ্ছেন যেখানে আপনার প্রতিযোগী হবে সারা বিশ্ব থেকে আরও অনেক মানুষ। ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এ অনেক ধরনের কাজ পাওয়া যায় তবে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সংক্রান্ত কাজ এখানে সবচেয়ে বেশি। প্রথমে আপনাকে ঠিক করে নিতে হবে আপনি কোন কাজটি করবেন এরপর সেটা ভালভাবে শিখে নিন এবং সবশেষে আউটসোর্সিং এ আসুন। গ্রাফিক্স ডিজাইন ডিজাইনের কাজের বেশ চাহিদা আছে অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলিতে। এজন্য আপনাকে শিখতে হবে মুলত ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটর এর কাজ। ফটোশপ দিয়ে লোগো, বাটন, ব্যানার ইত্যাদি তৈরী করতে পারতে হবে। ফটোশপ দিয়ে পিএসডি (PSD) লেআউট ডিজাইনের কাজের প্রচুর চাহিদা।  অনলাইনে প্রচুর টিউটোরিয়াল পাবেন ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটরের। এদুটি জিনিসে সিদ্ধহস্ত হতে হবে।  গ্রাফিক্সের কাজ করতে সৃজনশীলতা (creativity) বড় একটি দক্ষতা। আপনার সৃজনশীলতা যত গভীর হবে আপনি তত নতুন নতুন আই...

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন এখন আর অস্পস্ট, প্রতারনামুলক বা অবিশ্বাস্য কোন ব্যাপার নয়। এটি এখন একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য ও বিশ্বাস যোগ্য প্রক্রিয়া। এটির সুচনা ঘটেছিল গুগল এ্যাডসেন্স এর ধারনা দ্বারা । কিন্তু অচিরেই প্রমানিত হয় যে এটি আসলে সুনিশ্চিত এবং সহজ কোন প্রক্রিয়া নয়। যার সফলতা একশ ভাগ সুনিশ্চিত। মুলত ইন্টারনেট থেকে অর্থ উপার্জন যে করা সম্ভব সেই ধারনা বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ ছিল এটি। অচিরেই দেখা যায় ইন্টারনেটে গুগল এ্যাডসেন্স ছাড়াও সত্যিকার নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করা সম্ভব যা কারো একমাত্র পেশা হিসেবেও গন্য হতে পারে। ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন সম্ভব কি সম্ভব নয় এটি নিয়ে বিভ্রাতি যাদের আছে? আর তাই সর্বসাধারনের কাছে এই বিভ্রাতি দূর করার জন্য এই পোষ্ট টিতে চিত্রটি আপনাদের জন্য শেয়ার করা হয়েছে। চিত্র দুটির মাধ্যমে ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন ব্যাপারটির মূল ভিত্তি কি এবং কেন এটি সত্যিকার একটি পেশা হিসেবে যে কারও জন্য গ্রহনযোগ্য হতে পারে।