সে অনেক দিন আগের কথা। কল্যাণী দেশে কল্যাণ নামক এক রাজা ছিলেন। তিনি সারাক্ষণ নৃত্য-গীত, আর সোনালী তরলে নিমজ্জিত থাকতেন। বই ছিলো তার চোখের বিষ। তার মতে, বই পড়ে খামোখা সময় নষ্ট করার চেয়ে অশ্বচালনা অথবা তরবারির লড়াই শেখাটা হাজার গুণ শ্রেয়। একদিন সন্ধ্যায় পানাসক্ত অবস্থায় উর্বশী নৃত্য দেখে সময় কাটানোর পরে সভায় ফিরে সভাসদদের জরুরী তলব করে এক কঠিন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিলেন সবাই কে। আজ থেকে রাজ্যে বই পড়া বন্ধ। কাউকে বই পড়া অবস্থায় ধরতে পারলে তার গলা কাটা হবে। বই পড়ে কীভাবে সময় এবং অর্থ নষ্ট হচ্ছে তার একটা বিবরণও দিয়ে ফেললেন। তোষামুদে সভাসদরা শুনে বাহবা বাহবা করতে লাগলো। কিন্তু বুদ্ধিমান উজির সাহেব বুঝতে পারলেন এ সিদ্ধান্তের ফলে দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হবে। তবে এখনই এমন কিছু করতে গেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। অপেক্ষা করতে লাগলেন মোক্ষম সময়ের। পরদিন সকাল বেলা রাজার প্রাতঃভ্রমণের সময়টাই হতে পারে যথার্থ। এবং তার পরিকল্পনা ঠিক ভাবেই কাজে লাগলো। সক্কাল সক্কাল পেয়ে গেলেন রাজা মশাইকে। -সুপ্রভাত মহামান্য! -সুপ্রভাত উজির! আছো কেমন তুমি? -জ্বী, আমি খুব ভালো আছি। আপনার পোষা টিয়া পাখি ট...
একটি অনলাইন ভিত্তিক আইটি স্কুল